লালমনিরহাট (১) আসনে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী রুহুল আমীন বাবুল

লালমনিরহাট প্রতিনিধি
Published:  2018-07-04 14:51:46

লালমনিরহাট (১) আসনে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী রুহুল আমীন বাবুল

অন্ধকার রাত্রিতে চাঁদের আলোর প্রয়োজন হয় পথ খুঁজে পাওয়ার জন্য, নির্ভরতা খুঁজে পাওয়ার জন্য। মানুষের জীবনের সংকটকালীন অন্ধকার মুহূর্তেও মানুষের তেমনি প্রয়োজন হয় নির্ভরতাস্বরূপ আলোর। তেমনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দুর্দিনের কান্ডারী, সময়ের অকুতোভয় সৈনিক, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমীন বাবুল এক আলোর নাম।

বৃহত্তর পাটগ্রামবাসীর জনপ্রিয়, পরিশ্রমী ও ত্যাগী রাজনীতিবিদ রুহুল আমীন বাবুল স্বপ্ন দেখেন আগামী একাদশ নির্বাচনে লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসন থেকে নৌকা মার্কায় প্রার্থীতার।
রহুল আমীন বাবুল পাটগ্রাম উপজেলার একজন অক্লান্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। একাধারে সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সমাজের নির্যাতিত নিপীড়িত জনগনের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন তিনি।


আগামী একাদশ নির্বাচনে নিজের প্রার্থীতা প্রসঙ্গে কথা হয় মুজিব আর্দশের অকুতোভয় সৈনিক ও জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার মিশনের অক্লান্ত কর্মী, উত্তরাঞ্চলের জনপ্রিয় এই রাজনীতিবিদের সঙ্গে।


উপজেলার জগৎবেড় ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর ভান্ডারদহ (বাশকাটা) এলাকায় ১৯৬৬ সালের ৩১শে মে এক সমভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বাবুল। পিতা মৃত আমিনুর রহমান বঙ্গবন্ধুর আর্দশের স্বপক্ষের একজন উদার ব্যক্তিত্ব ছিলেন। মা মৃত আমিনা খাতুন একজন গৃহিনী এবং রাজনীতি সচেতন নারী ছিলেন।


মা বাবার ১০ সন্তানের মধ্যে বাবুল তৃতীয় সন্তান এবং ভাইদের মধ্যে বড়। জীবনে অনেক চড়াই উতরাই পিড়িয়েছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই বহন করেছেন অসহনীয় দুঃখের অভিজ্ঞতা। কিন্তু বাবুল অন্য ধাতুতে গড়া এক মানুষ। সেই বাল্যকাল থেকেই তিনি কখনো বাধা আঁকড়ে ধরে বসে থাকেন নি, বরং বাধাকে পরিণত করেছেন সাফল্যে। তিনি জীবনে কখনো থেমে থাকেননি। অত্যন্ত মেধাবী এবং মেধার পরিচয় দিয়ে এসেছেন রাজনীতির আঙ্গিনায়। শ্রম আর মেধা দিয়ে তিনি কুড়িয়েছেন অনেক সফলতা। জীবন যুদ্ধে থেমে থাকেন নি কখনই। বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে মনে ধারণ করে একনিষ্ট কর্মী ছিলেন ছাত্রলীগের। বর্তমানে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন পাটগ্রাম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পাটগ্রাম উপজেলার সাধারন সম্পাদক হিসেবে। রাজনৈতিক জীবনে সব ক্ষেত্রেই তিনি এগিয়ে চলেছেন অপ্রতিরোধ্য গতিতে।


পাটগ্রাম থেকেই তার শিক্ষাজীবনের হাতেখড়ি। উপজেলার টি এন স্কুল থেকে এস, এস, সি ও সরকারি কলেজ থেকে এইচ, এস, সি ও বি কম পাশ করেন তিনি ।


তরুণ বয়স থেকেই বাংলাদেশের অবিসাংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় সংকল্প বুকে লালন করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে মানব সেবা করার উদ্দেশ্যে রাজনীতিতে যোগদান করেন। তৎকালীন স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের সহযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নের্তৃত্ব প্রদান করেন। ছাত্রদের দাবি আদায়, তাদের দুঃখ কষ্ট লাঘব ও বিভিন্ন আন্দোলনের উপহার হিসেবে ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পাটগ্রাম উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। সাধারন সম্পাদক হবার পর তিনি পাটগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে গ্রামে মানুষের ঘরে ঘরে ঘুরে ছাত্রলীগের কর্মী সংগ্রহ করেন। তৎকালীন স্বৈরশাসক এরশাদ সরকারের ছাত্ররাজনীতি বিরোধী আইন উপেক্ষা করে পাটগ্রাম উপজেলায় ছাত্রলীগের গণজোয়ার সৃষ্টি করেন এবং এরশাদ হটাও আন্দোলনকে আরো বেগবান করেন। এরশাদ হটাও আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা, যুগোপযোগী নেতৃত্ব ও দলের প্রতি আনুগত্যের ফলশ্রুতিতে ১৯৮৬ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ছাত্রলীগ পাটগ্রাম উপজেলা শাখার সভাপতি হিসেবে মনোনিত হন। এরপর লালমনিরহাট জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবেও ছাত্রলীগের একজন সংগ্রামী নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।


স্বৈরশাষক এরশাদ হটাও আন্দোলনকে নেতৃত্ব দেয়ার অপরাধে ২৭ নভেম্বর ১৯৮৭ সালে তিনি গ্রেফতার হন এবং রংপুর কারাগারে ৭ মাসের সাজা ভোগ করেন। এরপর ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পাটগ্রাম উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন, আওয়ামীলীগকে সু-সংগঠিত করার জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করতে থাকেন। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ১৯৯৩ সালে বিরোধী সরকার হত্যার উদ্দেশ্যে তার উপর হামলা চালায়। এ হামলায় তিনি গুরুতরভাবে আহত হন এবং দীর্ঘ ৫ মাস রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।


২০০১ সালে তৃণমূল আওয়ামীলীগের ভালোবাসা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাস্তবায়ন করার ফলস্বরুপ প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পাটগ্রাম উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। জাতীয় পার্টির ভোটব্যাংক হিসেবে পরিচিত পাটগ্রাম উপজেলাকে আওয়ামীলীগের দূর্গ হিসেবে গড়ে তুলতে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেন।


এ সময়ে রাজনৈতিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় কর্মকান্ড পরিচালনার মাধ্যমে সাধারন মানুষের হৃদয়ে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেন। ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নিজের মেধা, কর্মদক্ষতা আর পরিশ্রমের মাধ্যমে নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ের মুকুট মাথায় পড়েন। বাবুল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একের পর জনকল্যাণমূলক কাজ করে চলেছেন। শুধু তাই নয় সরকার ও জনগনকে দেওয়া নানা প্রতিশ্রুতি পালনে দিনরাত নিরালস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এই নেতা। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তার ধ্যান-জ্ঞান। আওয়ামীলীগ তার শরীরে মিশে আছে। যে লীগকে তিনি ভালবাসেন, শ্রদ্ধা করেন সেই আওয়ালীগকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে আরও অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে যান বাবুল।


উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর উপজেলার রাস্তাঘাট ব্রিজ কার্লভার্ট নির্মান; সংস্কার, স্কুল কলেজ মাদ্রাসা নির্মাণ; সংস্কারে বিশেষ অবদান রাখেন। মাদকমুক্ত, নিরক্ষরমুক্ত, বাল্যবিবাহ মুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গিকার নিয়ে ২০১৪ সালে দ্বিতীয় বারের মতো উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে পাটগ্রাম উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থা কে ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু করেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শতভাগ ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিতি, শতভাগ ক্লাস, ছাত্র শিক্ষকদের মাঝে সম্পর্ক স্থাপন, অভিভাবকদের নিয়ে বিভিন্ন কর্মশালা করে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করেন। এর পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত গরীব মেধাবি শিক্ষার্থীদের মাঝে নিজ উদ্যোগে বৃত্তি প্রদান করে তাদের উচ্চ শিক্ষার পথকে মসৃন করে তোলেন। এই সকল জনকল্যানমূলক কর্মকান্ডের ফলে ২০১৫ সালে রংপুর বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং রংপুর বিভাগে নিজের যোগ্যতার পরিচয় দিতে সক্ষম হন।


আওয়ামী লীগের নিষ্ঠাবান এই নেতার কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি কীভাবে রাজনীতির প্রতি এতো আগ্রহী হয়ে উঠলেন?
উত্তরে বাবুল বলেন, তিনি নিজেকে প্রশ্ন করেছিলেন সবাই বড় হয়ে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী হতে চায়। তার মাথায় প্রশ্ন আসে কেন কেউ রাজনীতিবিদ হতে চায় না? রাজনীতি তো ভাল জিনিস। এক নেতার আর্দশে বড় হবো, দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য কাজ করবো। মুজিবের আর্দশে আর্দশিত হবো।


সেই চিন্তাভাবনা থেকে তরুণ বয়সে রাজনীতির প্রতি উৎসাহিত হয়েছেন তিনি। রাজনীতি অঙ্গনে প্রবেশের পর প্রায়ই তিনি চিন্তা করেন কিভাবে বঙ্গবন্ধুু একজন মানুষ থেকে লক্ষ্য কোটি জনতার প্রিয় হলেন। কিভাবে হয়ে গেলেন লক্ষ কোটি মানুষের শ্রদ্ধার পাত্র। দেশের স্বাধীনতায় কিনা ভূমিকায় রাখলেন তিনি। হয়ে গেলেন ৭ কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন। স্বাধীন বাংলাদেশের জাতির পিতা, কোটি মানুষের কান্ডারী। এই যে সফলতা বঙ্গবন্ধুু পেয়েছেন তা তিনি একদিনে অর্জন করেন নি। অক্লান্ত পরিশ্রম, ভাল আচারণ, সততা আর নিষ্ঠার মাধ্যমে পেয়েছেন এই সম্মানের মুকুট।


জানতে চাই এই নেতার কাছে, তাঁর রাজনীতি করার বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা কীভাবে দেখেন। এ প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তাঁর পরিবার সম্পূর্ণ আওয়ামীগপন্থী। তার বাবা বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করেছেন। পরিবার থেকে রাজনীতিতে অংশগ্রহণের ব্যাপারে কখনো বাঁধা আসেনি, বরং সবাই বিষয়টি নিয়েছে বেশ খুশি মনে বলে জানান সম্ভাবনাময় এই রাজনীতিবিদ।
ঐতিহাসিক দল আওয়ামী লীগের ভার্তৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগকে সম্পূর্ণ সংবেদনশীল সংগঠন বলে উল্লেখ করেন রুহুল আমীন বাবুল, যেখানে সবাই ভাই-ভাই, কোন ভেদাভেদ নেই।

রাজনীতির মাধ্যমে দেশ ও জনগণকে কি দিতে চান আপনি?
এমন প্রশ্নের জবাবে বাবুল স্মরণ করেন নিজের আদর্শ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের শেষ ভাষণের কথা, এই আদর্শিক জায়গা থেকেই বাবুল দেশের মানুষকে অনেক কিছু দেওয়ার ইচ্ছা হৃদয়ে লালন করেন।

বাবুল বলেন, “ বাবুল রাজপথের নেতা। প্রয়োজনে রক্ত দেওয়ার মানসিকতা রাখেন। একজন নেতার জীবনে লক্ষ্য থাকে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করা ও দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করা। যখন কোন নেতা নিজের দায়িত্ব পালন করে, মানুষের ভালোবাসা সে পাবেই। আমি আমার দায়িত্ব ঠিকঠাকভাবে পালন করি।”


আওয়ামীলীগের এই অসামান্য সৈনিক মানুষকে ভালোবাসেন, আবার শাসনও করেন। কিন্তু যা করেন তা কেবল ভালোর জন্যই। অন্যের ক্ষতি করে কেউ জীবনে কখনো ভালো থাকতে পারে না। কিছু কিছু মানুষ নেতা হয়ে গেলে অহংকারী হয়ে পড়েন, এই বিষয়টা বাবুল পছন্দ করেন না। কারণ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এটা ছিল না। জাতির পিতা দেশের আপামর জনসাধারণের মঙ্গল চাইতেন আর বাবুলের আদর্শও ঠিক এটাই।
আজীবন রাজনীতি নিয়েই থাকার ইচ্ছা এই নেতার। রাজনীতির আঙ্গিনাকে আরও সাফল্যমন্ডিত করতে জাতীয় রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার স্বপ্ন দেখেন বাবুল।


শেখ হাসিনা সম্পর্কে বাবুল বলেন, তিন যুগ ধরে বাংলাদেশের প্রবীণতম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা। শুধু তাই নয়, দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালনের পর এখন পার করছেন তৃতীয় মেয়াদ। আশির দশকে যেমন তিনি ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করেছেন দলকে, তেমনি একটি অনুন্নত দেশকে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করতেও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। যে কারণে জাতীয়-আন্তর্জাতিক অনেক পুরস্কার আর স্বীকৃতি রয়েছে তার ঝুলিতে। চলতি মেয়াদসহ তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও তিনি বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ চলতি দুই মেয়াদে আট বছরসহ ১৩ বছর দেশ শাসন করছে। এসময়ে বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নতির পাশাপাশি শেখ হাসিনার ঝুলিতে জমেছে অনেকগুলো অর্জন। পেয়েছেন আন্তর্জাতিক একাধিক সম্মাননা পদক। দেশরতœ শেখ হাসিনার অনন্য সফলতার মধ্যে অন্যতম হলো গঙ্গা পানি চুক্তি, পার্বত্য শান্তি চুক্তি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি,  সমুন্দ্র সীমানার বিরোধ নিষ্পত্তি, স্থল সীমানা চুক্তি বাস্তবায়ন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। এছাড়াও শেখ হাসিনা বিগত বছরগুলোতে পেয়েছেন মাদার অফ হিউম্যানিটি পুরস্কার, গ্লোবাল সামিট অব উইমেন’ এর প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে ‘গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ডসহ অনেক পুরস্কার।   এসব পুরস্কারের দ্বারা তিনি নিজে সম্মানিত হয়েছেন এবং সেইসঙ্গে বাংলাদেশকে সম্মানিত করে গৌরবান্বিত করেছেন।
আগামী একাদশ নির্বাচনে লালমনিরহাট(১) (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসন থেকে নৌকা মার্কায় প্রার্থীতার স্বপ্ন দেখেন জনপ্রিয় এই রাজনীতিবিদ।


তিনি বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-০১ আসন (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা)  থেকে দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশা করি। দেশের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় নির্বাচিত হয়ে দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে চাই। আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী আমাকে মনোনয়ন দিলে এই আসনের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বাল্যবিবাহ নিরোধ, মাদকমুক্ত সমাজগঠনে এবং দূর্নীতি প্রতিরোধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবো। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা পেলে আমি জনসাধাণের উন্নয়নে অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবো।

আমি ছোটবেলা থেকেই সমাজসেবামূলক নানা কাজের সাথে জড়িত ছিলাম। এখনো আমি আমার সাধ্যমতো ব্যক্তিগতভাবে মানুষের জন্য কল্যাণমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িয়ে আছি।
এ যাবৎকাল পর্যন্ত গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান, অসহায় ও দুস্থ্য শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান, দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান, এতিমদের খাদ্য সহায়তা, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নসহ জনসেবা ও জনহিতকর কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছি। আমি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই এবং বৃহৎ পরিসরে এসব সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে এলাকার উন্নয়ণমূলক কাজ করতে আমি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই।
বাবুল বলেন, বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে আমি পাটগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। এজন্য সকলের সহযোগিতা দরকার। আমি সাধারণ মানুষের কাতারে থেকে সবাইকে সাথে নিয়েই কাজ করতে চাই। আমি নৌকার পক্ষের লোক। নৌকা মার্কায় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে আমি আমার মেধা দিয়ে কাজ করে নৌকার বিজয় আনবো ইনশাআল্লাহ।

তবে এটাও জানি, জাতীয় নেতার জন্য অনেক সাধনা ও পরিশ্রম করে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। সামনে অসীম সম্ভাবনা নিয়ে চলা এই নেতার সাফল্য কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যের গন্ডিতে আটকে থাকবে না। তা দেশ ও দশের মঙ্গলের ইতিহাস রচনা করবে বলে আশা করেন তিনি।

 

এ বিভাগের আরও খবর

লাইভ ক্রিকেট স্কোর