যৌনতা নিয়ে এই মারাত্মক কুসংস্কারগুলি আপনি মেনে চলেন না তো?

সারাবাংলা ডেস্ক:
Published:  2017-06-22 04:54:01

যৌনতা নিয়ে এই মারাত্মক কুসংস্কারগুলি আপনি মেনে চলেন না তো?

গোটা দুনিয়ায় যৌনতা, সঙ্গম এমনকী সেক্স পজিশন নিয়েও একাধিক কুসংস্কার চালু রয়েছে। এই কুসংস্কারগুলির কথা জানলে আপনি চমকে উঠতে বাধ্য হবেন। এই ভ্রান্ত ধারণাগুলির কিন্তু কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তাই এই প্রতিবেদনে আপনাকে সতর্ক করে দেওয়া হচ্ছে, যৌনতা নিয়ে এই সব অপপ্রচারে কান দেবেন না যেন! একটি সর্বভারতীয় স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পত্রিকার প্রতিবেদনের নির্যাস তুলে ধরা হল এখানে-

১. একটি জনপ্রিয় ভুল ধারণাই হল, একাধিক কুমারীর সঙ্গে যৌনতায় মেতে উঠতে পারলে নাকি পুরুষরা অমর হয়ে উঠতে পারেন। প্রায় ৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে চিনে এই ধারণাকে সত্যি বলে মানতেন বাসিন্দারা। তাঁদের বিশ্বাস ছিল, প্রতি রাতে নতুন নতুন কুমারীকে সঙ্গমে রাজি করাতে পারলে, সেই ব্যক্তি অমর হয়ে থাকবেন। কোনও রোগ-ব্যাধি তাঁকে কাবু করতে পারবে না। তবে শর্ত একটাই, মিলনের সময় বীর্যস্খলন হলে চলবে না। শুধু তাই নয়, চিনারা বিশ্বাস করতেন, বেঁটে পুরুষদের উচিত নারীর উপরে উঠে সঙ্গম করা, লম্বাদের উচিত গোড়ালিতে ভর দিয়ে বসে মাথা সামান্য একপাশে হেলিয়ে সঙ্গমে লিপ্ত হওয়া।

২. ১৮৯৪ সাল নাগাদ একটি ধারণা প্রচলিত ছিল। মনে করা হত, রাত না হলে পুরুষ ও মহিলাদের মিলিত হওয়া উচিত নয়। গাঢ় অন্ধকার ছাড়া ঘনিষ্ঠ হওয়ার প্রথা ছিল না। এখানেই শেষ নয়! সে সময়কার মানুষ মনে করতেন, মিলনের সময় মহিলাদের শীৎকার করা উচিত নয়। সঙ্গমকালে মহিলাদের একেবারে মুখ বুজে থাকাটাই সেই সময় রেওয়াজ ছিল। মহিলাদের নড়াচড়া করারও অনুমতি মিলত না ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে।

৩. প্রাচীন যুগে মিশর ও মধ্য-প্রাচ্যে অবিবাহিত মহিলাদের পতিতাবৃত্তি করতে হত। সেই সময় নিয়মই ছিল, কুমারী মহিলাদের প্রকাশ্য স্থানে দাঁড়িয়ে নিজেদের দেহ বিকিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানাতে হবে। উঁচু বা নিচু জাত বলে নয়, প্রায় প্রতিটি মহিলাকেই সে সময় অচেনা ব্যক্তিদের সঙ্গে মিলিত হতে হত বিয়ের আগে। এটাই ছিল রেওয়াজ।

৪. ১৮৮৮-তে, বিদেশে আঁটসাঁট ‘করসেট’ পোশাক পরার উপকারিতা প্রকাশিত হয় একটি সেক্স গাইড বুকে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, করসেটের মতো আঁটসাঁট পোশাক শরীরে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। আর তার ফলেই নাকি মহিলারা চরম উত্তেজিত হয়ে ওঠেন বলে প্রচারিত হত। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত বলে পরে গবেষকরা দাবি করেন। এখানেই শেষ নয়, মাথায় বড় খোঁপা করলে মাথার উপর চাপ পড়ে, তাই সেক্সুয়াল অর্গ্যানগুলিও নাকি চরম উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করতেন তখনকার মানুষ।

৫. আপনি কি মনে করেন, বিভিন্ন সেক্স টয় শুধুই আধুনিক সময়ে ব্যবহৃত হয়? মোটেও নয়, প্রায় ২৬ হাজার বছর আগেও পাথরের তৈরি সেক্স টয়ের খোঁজ মিলেছে। মিশরীয়রা ওই সব টয় ব্যবহার করতেন বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা এও মনে করেন, যে রানি ক্লিওপেট্রা সেক্স টয় ব্যবহার করতেন।

৬. ১৯০০-তে প্রকাশিত একটি বইতে উল্লেখ করা হয়, দম্পতিরা প্রতি মাসে চারবারের বেশি যেন মিলিত না হন। হলে, উভয়ের শরীরেরই ক্ষতি হবে।

সংবাদ প্রতিদিন

লাইভ ক্রিকেট স্কোর