বাংলাদেশে কিভাবে একটি কোম্পানির সিইও হবেন?

সারাবাংলা নিজস্ব প্রতিনিধি :
Published:  2017-05-30 08:45:22

বাংলাদেশে কিভাবে একটি কোম্পানির সিইও হবেন?

আপনি কি কর্পোরেট জীবনের সবচেয়ে উচ্চ স্থানে যেতে চান? কর্পোরেট জগতের শীর্ষে নিজের অবস্থান কে ধরে রাখতে চান? এই রুপালী সুযোগের

জন্য আপনার কি অপেক্ষা করা উচিত? নাকি আপনার জ়ীবনকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করবেন? তাই, এভারজবস বাংলাদেশ সিইও ভূমিকাতে যাওয়ার আগে আপনার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেঃ

ডিগ্রি অর্জনঃ

কয়েক দশক ধরে, যারা উচ্চাভিলাষী বলে বিবেচিত ছিল তাদের জন্যই একমাত্র সিইওর অবস্থানটি বহাল ছিল। আপনার কঠোর পরিশ্রম ও

অধ্যাবসায় এর ফলেই শুধু সঅম্ভাবনার মুখ দেখতে পাবেন। ঠিক একইভাবে এই ধরনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন, এমএএস ইন্টিমেটস এর সিইও

ডায়ান গোমস। মিঃ গোমস এর নেতৃত্বে এমএএস ইন্টিমেটস এর গৌরব ধরে রাখতে পেরেছেন সেই সাথে তার সাথে থাকে প্রত্যেক সদস্য তার

নেপথ্যে কাজ করে চলেছেন, মিঃ গোমস সিআইএমএ (চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট) এর ছাত্র ছিলেন। তার মানে

আপনি তার মত সিআইএমএ (চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট) কোর্স টি সম্পূর্ণ করতে পারলেই একজন সিইও হতে

পারবেন? দুর্ভাগ্যবশত না, এমন দিন পেছনে ফেলে এসেছি আমরা। ২১ শতকে পরিস্থিতির ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। স্নাতক ডিগ্রি আজকের দিনে

যে কোন চাকরীর জন্য অপরিহার্য হয়ে দাড়িয়েছে, আরে সেই সাথে কোণ বিষয়ে এমবিএ বা পেশাদার যোগ্যতা অবশ্যই আপনার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে।

অভিজ্ঞতা অর্জনঃ

উচ্চ পদস্থ চাকরীর জন্য প্রথমেই কাজের অভিজ্ঞতা কতটুকু তা যাচাই করা হয়। বয়সের কারনে অভিজ্ঞতা অর্জন এ কখনও পিছুপা হবেন না।

এর সেরা উদাহরণ হলেন ডায়ালগ এক্সিয়াটা পিএলসি এর সিইও হান্স ওইজিসুরিয়া। ১৯৯৭ সাল থেকে তিনি এই দায়িত্বে বহাল আছেন। ২৯ বছর

বয়সে তিনি এই আসনে উন্নীত হন। তাহলে তার অভিজ্ঞতা ? এই উচ্চ পদে আসার জন্য তার ৩ বছরের অভিজ্ঞতা, একটি স্নাতক ডিগ্রি ও

একটি পিএইচডি ডিগ্রি ছিল। বিভিন্ন কোম্পানীর বিভিন্ন বিভাগে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা যাদের আছে, তাদের জন্য জন্য সম্ভাবনা বেশী।

যোগাযোগ দক্ষতা উন্নতিঃ

একজন অন্তর্মূখী ব্যাক্তি কি কখনো সিইও হতে পারে? হয়ত হতে পারে কিন্তু একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার জন্য উন্নত যোগাযোগ দক্ষতা

অপরিহার্য। আর এই দক্ষতাই কম্পানীর নেতাকে বাকি সকলের থেকে সামনে এগিয়ে রেখেছে। সহজে যে কারো সাথে কথা বলতে পারা ও একজন ভাল

শ্রোতা হতে পারা গুরুত্বপূর্ণ । কখনও সিইও পর্যায়ের এমন কারো সাক্ষাত্কার দেখেছেন? ঠিক তার মতই আপনার যোগাযোগ দক্ষতা থাকতে হবে।

দলগতভাবে কাজ করতে শিখুনঃ

দলগত ভাবে কাজ করার দক্ষতা উন্নতি করুন। সর্বাধিক নেতাদের মতে, আপনি যদি দলের সকলের সাথে ভাল ব্যাবহার করেন এবং তাদের সুবিধা

অসুবিধার কথা চিন্তা করেন, তাহলে তারাও আপনার হয়ে কম্পানীর গ্রাহকদের সঠিক সেবা দানে পিছপা হবেনা। আপনার অধিনে কর্মী দের সাথে আপনার সম্মিলিত প্রচেস্টাই কম্পানীর উত্তরোত্তর উন্নতি লাভে সহায়তা করবে।

চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য উন্নত করুন

সব প্রস্তুতি শেষ? এবারে সৎ ও বিনিয়ী হবার চেষ্টা করুন । অনেক লিডার আছেন যারা ব্যবসার উন্নতির জন্য নিজেদের চাইতে দক্ষ

ব্যাক্তিদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এই ধরনের কাজ করতে কিছুটা বিনয়ী হতে হয়, এক্ষেত্রে নেতাগন পিছিয়ে যান এবং অধিনস্ত কর্মচারীদের

লিডারশীপ দিয়ে দেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কখনো দেরী করেন না। এই নেতাগন সাধারণত পেছন থেকে তাদের নির্দেশনা

দিয়ে থাকেন, যাকে আমরা ব্যাকআপ বলে থাকি সেই ভূমিকা পালন করে থাকে। কোন সংকট মুখোমুখি হলে দ্রুত দায়িত্ব নিতে পিছপা হন না।

প্রত্যেক ক্ষেত্রেই বাধার সম্মুক্ষীন হতে হয়, সিইও এর কার্যালয়ে সাধারণত সঙ্কট ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করা হয়। অন্যদের কাজে উতসাহ

প্রদান করা ও ব্যাক্তিগত ভাবে সঙ্কট নিরসনে প্রচেষ্টা করে থাকেন। উচ্চপদস্ত কর্মকর্তাদের সমস্যা সমাধান দক্ষতা থাকা আবশ্যক, এবং অফিসের অতিরিক্ত সময়ের বাইরেও কাজ করার মানসীকতা থাকতে হয়।

একজন সিইও হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে ব্যাক্তিগত আকাঙ্খা ও কাজের ব্যাপক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আজকাল, উচ্চ শিক্ষাও

সেইসাথে পূর্বশর্ত হয়ে গেছে।স্নাতক ডিগ্রী এবং সাথে পিএইচডি ডিগ্রীধারীদের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। চমৎকার ব্যক্তিত্বের জন্য আপনার

ব্যবহার পরি মার্জিত হওয়া উচিত। আপনি ধীরে ধীরে এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলি আয়ত্ত করতে পারেন ও নিজেকে প্রস্তুত করুন।

সিইও হবার আর কোন সহজ উপায় কি নেই? অবশ্যই আছে, নিজের কোম্পানী শুরু করুন। বিস্তারিত জনতে আজই ভিজিট করুন https://www.everjobs.com.bd/ এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়ুন

লাইভ ক্রিকেট স্কোর